যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা
শনিবার (৪ জুলাই) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভেচ্ছা চিঠি পাঠানোর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লেখা ওই বিশেষ কূটনৈতিক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সরকার, দেশের সাধারণ জনগণ এবং তাঁর নিজের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে এই ঐতিহাসিক মাইলফলকে পৌঁছানোর জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি পত্রে আশা প্রকাশ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বাস্তবধর্মী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আগামী দিনগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আরও বড় সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে।
চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন এই গৌরবময় উপলক্ষটি সারা দেশজুড়ে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে উদযাপন করছে, তখন আমেরিকার এই ২৫০ বছরের দীর্ঘ পথচলা, আমেরিকান স্বপ্ন, ত্যাগ, স্বাধীনতা, সুদূরপ্রসারী মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, নৈতিকতা এবং বাকি বিশ্বে আমেরিকার অনন্য অবদান সামগ্রিকভাবে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষকে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও টেকসই উন্নয়ন যাত্রায় এক পরম মূল্যবান বন্ধু এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান চিঠিতে লিখেছেন, “গত পাঁচ দশক ধরে আমাদের পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং মানুষে মানুষে বিস্তৃত যোগাযোগের (পিপল-টু-পিপল কন্টাক্ট) মাধ্যমে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বহুমুখী অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ বছরের (২০২৬) শুরু থেকে যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, তার মাধ্যমে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছি। এছাড়া বাংলাদেশে চলমান রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন ও আর্থিক উদারতার জন্য আমরা গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।”
উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থের সব ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্বকে আগামী দিনে আরও জোরদার ও গভীর করতে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকার ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই চিঠিতে।
চিঠির শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, “আমেরিকার এই পরম আনন্দময় মুহূর্তে আমি আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং অব্যাহত সাফল্য কামনা করছি। একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুভাবাপন্ন জনগণের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, টেকসই সমৃদ্ধি ও সুখ কামনা করছি।”
|