২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
আজ সোমবার (০৮ জুন) বিকেল ৩টা ২৬ মিনিটে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘শিক্ষা ও ক্যাম্পাস, জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ও পাবলিক পরীক্ষা’ এবং ‘প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ট্র্যাকিং উইং’ বিভাগের বিশেষ যৌথ বুলেটিংয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের মূল বক্তব্য ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
জাতীয় পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য বিভাগীয় আয়োজন বিষয়ে অবহিত করতে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষার ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট ডেডলাইন দেওয়ার পাশাপাশি দেশের বিদ্যমান শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বড় পরিকল্পনার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।
মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, “আমরা দেশের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে কারিকুলাম পরিমার্জন নিয়ে ব্যাপক কাজ করছি। এটি পরিমার্জনের জন্য দেশজুড়ে বর্তমানে একটি সমন্বিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় আগামী বছর (২০২৭) থেকেই শিক্ষাক্রমে নতুন ৪টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এবং চূড়ান্তভাবে আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ নতুন এবং পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করা হবে।”
শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আরও একটি বড় ঘোষণা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বিগত সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প, নিয়োগ ও প্রশাসনিক স্তরে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ ‘শ্বেতপত্র’ (White Paper) প্রকাশের জোরালো পরিকল্পনা রয়েছে বর্তমান প্রশাসনের। এর মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষা প্রশাসনকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি শিক্ষা খাতের একঝাঁক শীর্ষ নীতি নির্ধারক ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মানিত সচিব আব্দুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী। উপস্থিত কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ত্রুটিমুক্ত ফলাফল প্রকাশের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার বিষয়ে মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।
জান্নাত সকালবেলা
|