গোবিপ্রবিতে শিক্ষকের পিএইচডি জালিয়াতির অভিযোগ

গোবিপ্রবিতে শিক্ষকের পিএইচডি জালিয়াতির অভিযোগ

মো. ইসতিয়াক আহম্মদ আসিফ, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সদস্য সচিব এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনের বিরুদ্ধে পিএইচডি জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘ফেলোশিপ ট্রাস্ট’ ফাতেমা খাতুনের পিএইচডি স্কলারশিপের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা ছুটি শেষে তিনি কর্মস্থলে যোগদান করলেও পিএইচডি সনদপ্রাপ্তির সঠিক তারিখ, থিসিস ডিফেন্স সংক্রান্ত সুপারভাইজারের প্রত্যয়নপত্র কিংবা ফেলোশিপ ট্রাস্টের ছাড়পত্রের মতো কোনো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেননি।

প্রশাসন জানায়, নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য তাকে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি দুবার লিখিতভাবে চিঠি দেওয়া হলেও তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। এ অবস্থায় অভিযোগের সত্যানুসন্ধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল।

তদন্ত কমিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. মো. কামরুজ্জামানকে আহ্বায়ক এবং রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ.টি.এম. সাইফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক।

তদন্ত কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়ার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ.আই.এল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন