ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ইরানের রণক্ষেত্রে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মিসাইল হানা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে, তখন এই সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি দাবি করেন, এই অভিযান মূলত ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক’ পদক্ষেপ।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যদি দুই সপ্তাহের মধ্যে আঘাত না করতাম, তারা পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত। পাগলাটে মানুষের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে খারাপ কিছু হতে পারে।’ ট্রাম্পের মতে, তেহরানকে পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সুযোগ দেওয়া মানে পুরো বিশ্বের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা।
তবে ইরান দীর্ঘ সময় ধরে দাবি করে আসছে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত। এদিকে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে মিশ্র বার্তা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরি করছে—এমন কোনো সরাসরি প্রমাণ সংস্থাটির কাছে নেই। তবে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘অস্ত্রমাত্রার সমান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বড় মজুদ এবং পরিদর্শকদের পূর্ণ প্রবেশাধিকার না দেওয়া একটি বড় সংকটের কারণ।’
বিশ্লেষকদের মতে, আইএইএ-এর এই অস্পষ্ট অবস্থান এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক’ বা আগাম হামলার মাধ্যমে ইরানকে দমনের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে ইরান তার সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ