ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোঃ ইমরান মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরে গত তিন মাস ধরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বন্দরের প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক ও কর্মচারী।
ব্যবসায়ীদের দাবি, ভারত থেকে পাথর আমদানির ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা ও অতিরিক্ত শুল্কের কারণে তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে পাথরের সাথে আসা মাটির ওপর অতিরিক্ত চার্জ এবং ভারতীয় অংশের ভাঙা সড়কের কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা আমদানি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। ৩৪টি পণ্য আমদানির সুযোগ থাকলেও এই বন্দর দিয়ে মূলত পাথরই আনা হতো, যা এখন পুরোপুরি বন্ধ।
বন্দরটি খাঁ খাঁ করছে, পড়ে আছে শত শত পাথর ভাঙার ক্রাশার মেশিন। পাথর ভাঙা শ্রমিক মনু মিয়া জানান, কাজ না থাকায় তারা পরিবার নিয়ে চরম অর্থকষ্টে আছেন। অন্যদিকে, আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল সেতু বলেন, “শুল্ক বিভাগ ছাড় না দিলে এবং পাথরের মাটির ওপর বাড়তি চার্জ বন্ধ না করলে আমদানি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।”
ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা প্রীতিময় কান্তি বড়ুয়া জানান, ভারতীয় অংশের সড়ক সমস্যা ও ব্যবসায়ীদের লোকসানের ভয়ে আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে দ্রুত সমস্যা সমাধান করে কার্যক্রম চালুর বিষয়ে তিনি আশাবাদী।
১৯৭৪ সালে এলসি স্টেশন হিসেবে চালু হওয়া এবং ২০১৫ সালে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়া এই বন্দরটি সচল করতে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ