স্বৈরাচারী শক্তি ও গুপ্ত মহল একজোট হয়ে নৈরাজ্য চালাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিবেদক: বিতাড়িত স্বৈরাচারী শক্তি এবং নেপথ্যে সক্রিয় থাকা গুপ্ত মহল একজোট হয়ে পুনরায় দেশে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে যে স্বৈরাচারী শাসক জনগণের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করেছিল এবং পরবর্তীতে ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে, সেই অপশক্তি ও নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারী চক্র নতুন করে সংগঠিত হচ্ছে। এই অপশক্তি অতীতে ১৯৯১ ও ১৯৮৬ সালের নির্বাচনসহ বিভিন্ন সময় গোপনে আঁতাত করে কাজ করেছে।
বক্তব্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেহেশতের টিকিট বিক্রির মতো বিভ্রান্তিকর প্রচারণা সরাসরি ধর্মবিরোধী ও মুনাফেকি আচরণ। এই চক্রই এখন তথাকথিত ‘এক দফা’র অজুহাতে দেশের উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।
এ সময় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ধর্মীয় গুরু ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ভাতা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি নদী ও খাল খনন কর্মসূচি, আগামী পাঁচ বছরে উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
স্বৈরাচারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো চালুর লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সরকারের এসব জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ ব্যাহত করতে সক্রিয় ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
এআইএল/সকালবেলা