নগর স্বাস্থ্যসেবায় সান্ধ্যকালীন ক্লিনিক চালুর পরিকল্পনা চলছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
বিশেষ সংবাদদাতা: নিম্ন আয়ের কর্মজীবী মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নগর স্বাস্থ্যসেবায় সান্ধ্যকালীন ক্লিনিক চালুর বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। একই সাথে নগরের ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধী নারী ও শিশুদের সেবা দিতে ওয়ার্ডভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সিএসও ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ‘টেকসই এসআরএইচআর ইকোসিস্টেম’ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, ভাসমান জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি করে ইউনিট নির্ধারণ করে ওয়ার্ডভিত্তিক ক্যাচমেন্ট এরিয়া করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী, জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, আগে নগরে জনসংখ্যা কম থাকায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল নজর ছিল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দিকে। তবে বর্তমানে ৩০ শতাংশ মানুষ শহরে বাস করছে এবং ২০ ৫০ সালের মধ্যে তা ৫০ শতাংশে পৌঁছাবে। এ বাস্তবতায় নগর স্বাস্থ্যসেবাকে সরকারি ব্যবস্থার মূল ধারায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এখন থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর যৌথভাবে এ ফ্রেমওয়ার্ক পরিচালনা করবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের ‘কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং’ কর্মীদের হাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ডিজিটাল অ্যাপ ও আধুনিক ডায়াগনস্টিক কিট তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে তাঁরা ঘরে ঘরে প্রাথমিক পরীক্ষা সুবিধা পৌঁছে দিতে পারেন।
আইপাস বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও সিএসও ফোরামের আহ্বায়ক সায়েদ রুবাইয়েতের সঞ্চালনায় সভায় শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেঞ্জামিন রিয়াজী এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত রেহানাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য দেন।
এআইএল/সকালবেলা