নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা সীমান্ত সংলগ্ন নাফ নদীতে ইয়াবার চালান দখল ও ছিনতাইকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে প্রকাশ্য দিবালোকে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা এবং ঈদের ছুটিতে বেড়াতে আসা মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গুলি ছুড়েছে এবং ঘটনাস্থল থেকে দুই রোহিঙ্গাকে আটক করেছে।
গত শনিবার (৩০ মে) বিকেলে হ্নীলা ইউনিয়নের সুলিশপাড়া সীমান্তঘেঁষা নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তিরা হলেন, ইমাম হোসেন (২৫) ও নুরুল আমিন (২৩)।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি এসে নাফ নদীতে থাকা একটি সাধারণ জেলে নৌকাকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে অস্ত্রধারীরা নৌকাটিকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ফাঁকা গুলি ছুড়তে শুরু করলে নৌকায় থাকা দুই ব্যক্তি প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেন। এরপর হামলাকারীরা নৌকাটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াবা বহনকারী ওই নৌকার মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা নৌকা থেকে ইয়াবা, মাছ ধরার জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম লুট করার পর নৌকাটি পানিতে ডুবিয়ে দেয়।
ঘটনাটি ঈদের ছুটিতে বেড়িবাঁধ এলাকায় ঘুরতে আসা শত শত মানুষের চোখের সামনে ঘটায় সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই ভিডিওতে হামলাকারীদের হাতে একে-৪৭ (AK-47) সদৃশ আধুনিক ও মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে।