নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর কোনো সংকট হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি জানিয়েছেন, এ বছর দেশে চাহিদার তুলনায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী দেশের বর্তমান গবাদিপশুর প্রাপ্যতা ও সম্ভাব্য চাহিদার চিত্র তুলে ধরেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, এ বছর সারাদেশে কোরবানিযোগ্য পশুর মোট প্রাপ্যতা ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এর বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমাদের দেশীয় খামারিরা এখন অত্যন্ত সক্ষম। সরকারের ধারাবাহিক নীতি সহায়তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশ আজ পশু উৎপাদনে আত্মনির্ভরশীল। তাই এ বছর কোরবানির পশু আমদানির কোনো প্রশ্নই ওঠে না।” তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, গত বছরও দেশে পশুর বড় একটি অংশ উদ্বৃত্ত ছিল।
পশুর অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শহরগুলোতে পশু পরিবহনে যাতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা বাধার সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, খামারিদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে সুস্থ-সবল পশু সরবরাহ করতে সরকার কাজ করছে।
সরকারের এই ঘোষণার ফলে দেশি খামারিরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।