যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার, চাচাতো ভাইয়েরা পলাতক
মো: ইয়াছিন রুবেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের একদিন পর আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতার লাশ বাড়ির পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর গলায় দড়ি প্যাঁচানো এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের একটি ডোবায় লাশটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত আজাদ একই গ্রামের হানিফ মিয়ার বাড়ির মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে আজাদ হোসেন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় তাঁর লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।
নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, আজাদের চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার পর থেকে তাঁরা পলাতক রয়েছেন বলেও দাবি করেন স্বজনেরা।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, "যুবদল নেতা আজাদ ব্যবসার পাশাপাশি দলের একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর রহস্য দ্রুত উদঘাটন করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, "ঘটনাস্থলে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তাঁর গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এআইএল/সকালবেলা
|