সামিটের এলএনজি টার্মিনালে রিগ্যাসিফিকেশন শুরু: জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক

প্রকাশ: রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
সামিটের এলএনজি টার্মিনালে রিগ্যাসিফিকেশন শুরু: জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
গ্যাস সরবরাহ

বাসস (ঢাকা): জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সফলভাবে শেষ হওয়ার পর কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের এলএনজি টার্মিনালে পুনরায় রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ফলে দেশের জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসেছে এবং গ্রাহকদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, গতকাল শনিবার দুপুর ১টা থেকে সামিট এলএনজি টার্মিনালে পুনরায় রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই পূর্ণ সক্ষমতায় জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত জাতীয় গ্যাস গ্রিডে মোট ২ হাজার ৫৯৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র থেকে দেশীয় উৎস হিসেবে এসেছে ১ হাজার ৫৭৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং পুনঃগ্যাসীকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (আরএলএনজি) থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ১ হাজার ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, সামিটের এলএনজি টার্মিনালে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম পুনরায় চালুর সঙ্গে সঙ্গেই গ্যাস সরবরাহ দ্রুত বাড়তে থাকে। গতকাল দুপুরের পর থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

এর আগে গত গত ৩ নভেম্বর পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল যে, সামিটের এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের কারণে রিগ্যাসিফিকেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কিছুটা কমে যেতে পারে এবং কোনো কোনো এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।