ধর্ষণ ও ডাকাতি মামলার প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার
সাঈদ পান্থ, বরিশাল: বরিশালের হিজলায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফারুক ভূঁইয়া (৪০) এবং পিরোজপুর সদরের ডাকাতি মামলার প্রধান আসামি ডাকাত সর্দার মিটু শেখকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮ (এসআরবি-৮)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-৮-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে বাবুগঞ্জ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ফারুক ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ফারুক হিজলা উপজেলার চর ছয়গাঁও গ্রামের আব্দুর রশিদ ভূঁইয়ার ছেলে।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী তরুণীকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন ফারুক। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ মার্চ তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এতে ওই তরুণী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান ফারুক। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে হিজলা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে অভিযান চালিয়ে ফারুককে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তাকে আইনগত ব্যবস্থার জন্য বাবুগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে অপর এক অভিযানে র্যাব-৮ ও যৌথ আভিযানিক দল ২৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পিরোজপুর সদরের চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার প্রধান অভিযুক্ত মিটু শেখকে গ্রেপ্তার করে। মিটু শেখ গোপালগঞ্জের মানিকদাহ গ্রামের এলাহী শেখের ছেলে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট ভোরে পিরোজপুর সদরের ব্রাহ্মণকাঠী এলাকায় এমরান শেখের বসতবাড়িতে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায় ডাকাত দল। তারা গৃহকর্তাসহ পরিবারের সদস্যদের জিম্মি ও মারধর করে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও নগদ টাকাসহ প্রায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল লুটে নেয়। পরে এমরান শেখ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে তদন্ত ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় মিটু শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে পল্লবী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এআইএল/সকালবেলা