
নূর আহাম্মদ পলাশ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) সকালে শহরের রথখলা এলাকায় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিশাল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি কিশোরগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঐতিহাসিক নজরুল চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মাজারুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, "বর্তমান সময়ে বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের গোপন ও প্রকাশ্য ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত ও মোকাবিলা করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকতে হবে। দলের শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক শক্তি যেকোনো মূল্যে অটুট রাখতে হবে।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সদর থানা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি ৭ নভেম্বরের সুদূরপ্রসারী ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে এই দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের সব ভুলত্রুটি ও বিভাজন থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে আরও বর্ণিল, সুশৃঙ্খল ও ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি পালনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাইলী মিয়া, নাজমুল আলম, আশফাক আহমেদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমনসহ জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
হাজারো নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, খণ্ড খণ্ড মিছিল এবং দলীয় স্লোগানে পুরো কিশোরগঞ্জ শহর মুখর হয়ে ওঠে, যা পুরো আয়োজনটিকে অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সফল করে তোলে।