
নূর আহাম্মদ পলাশ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জে ঐতিহাসিক ‘৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজারুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, "এ দেশের সাধারণ মানুষ যেন তাদের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুরোপুরি ফিরে পায় এবং নিরাপদে স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট প্রদান করতে পারে, সেই টেকসই গণতান্ত্রিক পরিবেশ আমাদেরই নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় দলমত নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। তিনি তাঁর বক্তব্যে ৭ই নভেম্বরের সুদূরপ্রসারী ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ সময় পর রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে এই দিনটির প্রকৃত তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরতে প্রশাসনসহ সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। অতীতের সব ভুলত্রুটি ও সংকট কাটিয়ে আগামীতে আরও বর্ণিল ও সুশৃঙ্খলভাবে দিবসটি উদযাপনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান এবং গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সিদ্দিক উল্লাহ।
আলোচনা সভা শেষে ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, বিশিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।