জনসাধারণের কথা ভেবে ‘ভারত বনধ’-এর সময় বদল! সুর চড়িয়েও দরদী কৃষকরা

0
73

সিঙ্ঘু সীমান্তে কৃষক বিক্ষোভ অব্যাহত। এই নিয়ে আজ ১২ দিনে পড়ল কৃষক আন্দোলন। মঙ্গলবার তারা ভারত বনধের ডাক দিয়েছে। বনধের অংশ হিসেবে হাইওয়ে টোল গেটগুলিতে অবরোধ করবেন কৃষকরা৷ সরকারকে কোনও প্রকার টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তাঁরা৷ তবে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে এই বনধের সময়কে সীমিত করা হয়েছে। কৃষকদের তরফে জানানো হয়েছে যে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টি পর্যন্ত এই বনধ পালিত হবে।

তিনটি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় কৃষকরা এদিকে কৃষক সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় তাঁরা তিনটি আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন৷ কিন্তু সরকার আইন সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আন্দোলনরত কৃষকদের প্রতিনিধিদের মধ্যে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থনকে স্বাগত পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছে কৃষক সংগঠন এআইকেএসসিসি। তাদের মতে, রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থন থেকে বোঝা যাচ্ছে যে সমাজের একটা বড় অংশ কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক আইনের বিরোধিতা করছে আর তারা কৃষকদের পাশে রয়েছে।

কৃষকদের আন্দোলন ও বনধকে সমর্থন জানাল ১১টি রাজনৈতিক দল। সেই তালিকায় রয়েছে কংগ্রেস, ডিএমকে, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, সমাজবাদী পার্টি, সিপিআই(এম), সিপিআই-এমএল, অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক, রেভলিউশনারি সোশালিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া। সমর্থন জানিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের পিএজিডি জোটও।

কৃষি আইনের বিরোধিতায় হাজার হাজার কৃষক সিঙ্ঘু সীমান্ত ও টিকরি সীমান্তে জমায়েত করেছেন। কৃষকদের বিক্ষোভ চলাকালীন অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, সরকার নির্ধারিত স্থানে গিয়ে আন্দোলন করলে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্র। কিন্তু তাঁর এই প্রস্তাব খারিজ করে দেয় কৃষক সংগঠনগুলি। বিক্ষোভ জারি রাখে তারা।

এরপর সরকারের সঙ্গে কৃষকদের প্রতিনিধিদের একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। কৃষক সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনায় তারা তিনটি আইনই প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে৷ কিন্তু সরকার আইন সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু তা মানতে নারাজ কৃষকরা। এই পরিস্থিতিতে আগামী মঙ্গলবার ভারত বনধের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনরত কৃষকরা। তাঁদের আন্দোলন ও বনধকে সমর্থন জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here