উপনির্বাচন ঘিরে বিএনপির প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, সিদ্ধান্ত বৈঠকের পর

0
145

দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হলেও ঢাকার দুটিসহ পাঁচটি আসনের উপনির্বাচন ঘিরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
শূন্য হওয়া পাঁচটি আসনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণায় নেমেছেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দলের মনোনয়ন পেতে এরইমধ্যে নানাভাবে জানান দিচ্ছেন নিজের আগ্রহের কথা। তাদের দাবি নির্বাচনে অংশ নিলে বাড়বে দলের সাংগঠনিক গতি। তবে, স্থায়ী কমিটি বৈঠক করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভোটে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত না হলেও উপনির্বাচনে অংশ নিতে দলের সংশ্লিষ্ট আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বসে নেই। প্রচার প্রচারণা শুরো করে দিয়েছেন। মিছিল-মিটিং না হলেও দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাচ্ছে পোস্টার ব্যানার আর ফেস্টুন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে পরবর্তী কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি দাবি করে আন্দোলনের অংশ হিসেবেই নির্বাচনে অংশ নিতে চান দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

নওগাঁ-৬ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইসহাক আলী উপনির্বাচনে অংশ নেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে জানান, মনোনয়ন পেলে জয়ের ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদী।

সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন অংশ নিতে বেশকিছুদিন ধরেই নির্বাচনি প্রচারণা চালিয়ে আসছেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘নেতাকর্মীরা চান বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে মাঠে থেকে আমি যেন নির্বাচনে অংশ নেই। তবে, নির্বাচন যেন অনুষ্ঠিত হয় এবং ভোটব্যবস্থা যেন ঠিকে থাকে সে জন্য আমাদের এ যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে জনগণকে নিয়ে আমরা জয়ী হতে চাই।’

ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী কফিল উদ্দিন আহম্মেদ জানান, নির্বাচনি ব্যবস্থাকে পুনরুদ্ধার করার জন্যই তাদের এ নির্বাচন। তবে, নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে দলের সিদ্ধান্তকেই মেনে নেবেন বলেও উল্লেখ করেন কফিল উদ্দিন।

মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দাবি নির্বাচনের মাঠে কাটবে রাজনৈতিক কার্যক্রমের স্থবিরতা।

ঢাকা-৫ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী নবী উল্লাহ নবী বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। তারপরেও দল যদি মনে করে নির্বাচনে অংশ নিলে দলের গতিশীলতা বাড়বে তাহলে দল অংশ নিতে পারে।’

এদিকে, নির্বাচনি ব্যবস্থা সরকার ধংস করে দিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, উপনির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।

নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন, ‘আমরা এর আগেও নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আর এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল কি হবে তাও আগে থেকেই জানা আছে।’ নির্বাচনি ব্যবস্থার ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই বলেও উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগমীর।

করোনা ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন কমিশন আরো নব্বই দিন পিছিয়েছে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচন। আর পাবনা-৪ আসনে ২৬ সেপ্টেম্বর ও ঢাকা-৫ এবং নওগাঁ-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৭ অক্টোবর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here