কতটা ভয়ানক করোনা চলুন শুনে আসি বরিশালের তানজিলা তনুর কাছে!!

16

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব জুড়ে চলছে কোভিট১৯ অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের মহামারী। এ ভাইরাস সম্পর্কে জানেনা এমন মানুষ পৃথিবীতে হয়তো এখন খুঁজে ও পাওয়া যাবে না,কারন সদ্য জন্মগ্রহণ করা শিশুটাও এ ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রেহাই পায়নি।যেহেতু এই ভাইরাস এখন মহামারী হিসেবে দেখা দিয়েছে তাই এ ভাইরাস নিয়ে লেখালেখি, ভিডিও,সচেতন বার্তাও কম প্রকাশিত হয় নি।তাই আমি আর বেশি কিছু লিখতে চাই না। কিন্তু আমার মনে হলো কোভিট ১৯ সম্পর্কে আমার টাইমলাইনে কিছু থাকা উচিৎ তাই লিখলাম।☺

 

আসলে যারা কোভিট ১৯ এ সংক্রমিত হয়েছে শুধু তারাই জানবে এর যন্ত্রণা ঠিক কতটুকু।অন্যসব মানুষ ঠিক ধারনা করতে পারবে না এর যন্ত্রণা ঠিক কতটুকু। তাই বর্তমানে আমাদের উচিত যেকোনো ফ্লুকে অবহেলা না করে দ্রুত তার সঠিক চিকিৎসা নিয়ে নিজেকে সুস্থ রাখা।কারন কোভিট ১৯এর কোনো ভ্যাকসিন এখনও আমাদের হাতে আসেনি।আসতে কমপক্ষে একথেকে দের বছর লাগবে তা আমরা সবাই জানি।তাই একমাত্র সচেতনতাই পারে আমাদের টিকিয়ে রাখতে। এখন তো ৫ বছরের শিশুটাও জানে তার শরীরের এন্টিবডি যত স্ট্রং থাকবে সে তত ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করতে পারবে এবং জয়ী হতে পারবে।

 

গতকাল ২৭ বছর বয়সী এক যুবকের কোভিট ১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হওয়ার গল্প পরছিলাম।সেখানে দেখলাম সে তার সাধারন ফ্লু নিয়ে কত অবহেলা করেছে।আর তার এই অবহেলাই তাকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে গেছে।সে তার শরীরের এন্টিবডিকে সাধারন ফ্লু দিয়ে দূর্বল বানিয়ে ফেলেছে।ফলে তার এন্টিবডি করোনার সাথে যুদ্ধ করতে সক্ষম হয় নি। আবার আর একটি ভিডিও তে ৪০ বছর বয়সী এক ব্যাক্তির করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হওয়ার গল্প দেখলাম।সে বলেছিল করোনা আসলে বাঙালিদের জন্য না।বাংলাদেশের মানুষকে হারাতে এর চেয়ে বড় কোনো ভাইরাস লাগবে।আসলেই তাই☺।

 

কিন্তু সমস্যা হলো বাংলাদেশের মানুষেরা শারীরিক ভাবে স্ট্রং হলেও মানসিক ভাবে কিছুটা দূর্বল আছে। একজন করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির শারীরিক দূর্বলাতার চেয়ে মানসিক দূর্বলতার জন্য মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।এক্ষেত্রে যার মানসিকতা যত বেশি স্ট্রং থাকে তার সুস্থ হয়ে ওঠার সুযোগ তত বেশি।
কিন্তু এই স্ট্রং মানসিকতা কিভাবে বজায় থাকবে!?একজন আক্রান্ত ব্যাক্তির সাথে তার আশেপাশের মানুষ যে ব্যবহার শুরু করে তাতেই তো আক্রান্ত ব্যাক্তি অর্ধেক মারা যায়।একটু সচেতন হলেই করোনার হাত থেকে আমাদের বাচা সম্ভব। আর যদি আক্রান্ত হয়েই যাই তাহলে মৃত্যু নিশ্চিত এটা ভাবার কোনো কারন নেই। আপনার এন্টিবডি ও মানসিকতা যত স্ট্রং রাখতে পারবেন করোনা তত দ্রুত হারিয়ে দিতে পারবেন।
অতএব আমাদের উচিৎ একজন করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সাথে খারাপ আচরন না করে মানবিক আচরন করা।দুরত্ব বজায় রেখে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সবল রাখা।তাহলেই আমরা আমাদের প্রিয়জনদের একটি ক্ষুদ্র ভাইরাসের জন্য হারাবো না।
so guys🙂
Stay home😍
Stay safe😍